Mamata Banerjee: রবিবার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ, ‘হাঁড়ি, কড়াই, বাটি নিয়ে মিছিল’এর ডাক মমতার
কলকাতা : এপ্রিল নয়, আজ থেকেই যুবসাথী প্রকল্পের টাকা ঢুকবে অ্যাকাউন্টে। ধর্মতলার ধর্নামঞ্চ থেকে ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আমরা দুটো প্রোগ্রাম বাজেটে ঘোষণা করেছিলাম। অনেকগুলোর মধ্যে…। একটা যুবসাথী, আর একটা ঠেক মজদুর। আমরা বলেছিলাম, পয়লা এপ্রিল থেকে টাকাটা তাঁদের অ্যাকাউন্টে যাবে। কিন্তু, কাল আন্তর্জাতিক মহিলা দিবস আছে। তার উপহার হিসাবে আমরা পয়লা এপ্রিলটা একটু চেঞ্জ করে, আজ থেকেই তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা যাবে।”
সামনেই বিধানসভা ভোট। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পর, এ-বার বেকার যুবদের সামাজিক সুরক্ষার জন্য নতুন প্রকল্প। ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেটে, বেকার যুবদের জন্য নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। প্রকল্পের নাম-‘বাংলার যুব সাথী’। ন্যূনতম মাধ্য়মিক উত্তীর্ণরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। প্রতি মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা করে এই ‘বেকার ভাতা’ পাওয়া যাবে ৫ বছরের জন্য। রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি মাধ্যমিক বা সমতুল্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষিত যুব সমাজকে কর্মসংস্থানের পথে সাহায্য করার জন্য সরকার ‘বাংলার যুব-সাথী’ নামে নতুন প্রকল্প এনেছে। যাঁরা শিক্ষা সংক্রান্ত বা স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না, তাঁদের কর্মসংস্থান না হওয়া পর্যন্ত, সর্বাধিক ৫ বছর অবধি, মাসে ১ হাজার ৫০০ টাকা আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। ১লা এপ্রিল থেকে, বেকার যুবক-যুবতীদের অ্য়াকাউন্টে টাকা ঢোকার কথা ছিল। যদিও এদিন থেকেই সেই টাকা ঢুকে যাবে বলে ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
যুবসাথীর দেড় হাজার টাকার জন্য় সম্প্রতি লাইনে অসংখ্য় তরুণ-তরুণীকে দেখা যায়। এই ভাতা পেতে বিভিন্ন জেলায় ক্য়াম্পে লাইন দিয়েছেন উচ্চশিক্ষিতরা। তাঁদের অনেককেই বলতে শোনা যায়, কয়েকদিন-কয়েক মাসের জন্য় ভাতা ঠিক আছে…কিন্তু আসলে দরকার স্থায়ী চাকরি! যুব সাথী প্রকল্পের আবেদনকারী বাঁকুড়ার শোভনদেব গোস্বামী যেমন বলেছিলেন, “বর্তমানের জন্য় ঠিক আছে এটা। যেহেতু পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি আমরা। কিন্তু এটায় সন্তুষ্ট নই আমরা। আমরা চাইব মাননীয়া আমাদের জন্য় কিছু পদ খালি করুন। নিয়োগ যাতে প্রতিনিয়ত হয় বছরে বছরে।”
সাইফুদ্দিন খান নামে নন্দীগ্রামের এক আবেদনকারী বলেন, “কর্মসংস্থান নেই তাই ভাতার লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য হয়েছি।সরকার এইসব ভাতার বদলে কর্মসংস্থানের সুযোগ করলে ভালো হয়। এই বাংলায় জন্মানোটাই বোধহয় আমাদের ভুল হয়েছে।”